তালিকা থেকে বাদ দিন এই ৭ খাবার, ঝুঁ’কি কমান ক্যানসারের

খাদ্যের উপর আমাদের স্বাস্থ্য অনেকটাই নির্ভর করে৷ খাদ্য বাছাই, খাদ্যের পরিমাণ ও অনুপাত, রান্নার পদ্ধতিসহ আরো অনেক বিষয় এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ৷ ক্যানসারের ঝুঁ’কি কমাতে এমন সচেতনতা খুব জরুরি৷

সাদা ময়দা

ময়দা সাদা করার জন্য গমকে প্রক্রিয়াজাত করা হয় এবং তাতে ক্লোরিন ব্যবহার করা হয়৷ এই একই ক্লোরিন কিন্তু কাপড়ের রং ওঠাতেও ব্যবহার করা হয়৷ বলা বাহুল্য, এই ক্লোরিন ব্যবহারের ফলে খাদ্যের সব পুষ্টিগুণ কমে যায়৷

লবণাক্ত স্ন্যাকস

পট্যাটো বা আলুর চিপসে অ’তিরিক্ত লবণ থাকে৷ তাই খুব বেশি চিপস খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত৷ ক্যানসার সৃষ্টির জন্য সব ধরনের উপাদান রয়েছে এই চিপসে৷ এছাড়া চিপসকে মচ’মচে করতে যে অ্যাক্রিলামাইড ব্যবহার করা হয়, সেই একই উপাদান পাওয়া যায় সিগারেটেও৷

লাল মাংস

অল্প মাত্রায় এ ধরনের মাংস খেলে তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক নয়৷ কিন্তু ‘লাল মাংস’ যদি খুব বেশি পরিমাণে খাওয়া হয়, তাহলে কোলন বা প্রস্টেট ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা দ্বিগুণ হয়ে যায়৷ যু’ক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা অনুযায়ী, রেড মিট বা গরু, ছাগল এবং ভেড়ার মাংসে এক ধরনের সিলিসিক অ্যাসিড থাকে, যেটা ক্যানসারের কারণ৷

কোমল পানীয়

কোকাকোলা, পেপসি এবং এ ধরনের অন্যান্য পানীয়তে উচ্চ মাত্রায় চিনি রয়েছে, যা কৃত্রিমভাবে রং করা৷ এ ধরনের কোমল পানীয় ভীষণ ক্ষতিকর৷ এছাড়া কৃত্রিম সুইটেনারে বেশি মাত্রায় সোডিয়াম থাকে৷ যু’ক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও মা’দক প্রশাসন জানিয়েছে, এ সব কোমল পানীয় গ্রহণ করলে মানুষের মস্তিষ্ক রাসায়নিক দ্রব্যের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে৷

ভেজিটেবল তেল

সূর্যমুখী তেলে এক ধরনের রং ব্যবহার করা হয়, যাতে তা ক্রেতাকে আকৃষ্ট করে৷ এই তেলে ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে, যা স্বাস্থ্যকর৷ কিন্তু তেলে যদি রঙের পরিমাণ বেশি হয়, তবে তা স্তন ও প্রস্টেট ক্যানসারের কারণ হতে পারে৷ ক্লিনিকাল ইনভেস্টিগেশন জার্নালে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে সম্প্রতি৷

প্রক্রিয়াজাত মাংস

সসেজ, নানা রকম সালামি – এগুলো দেখতে এবং খেতে ভালোই লাগে৷ কিন্তু এগুলো সংরক্ষণের জন্য উচ্চ’মাত্রার ‘প্রিজারভেটিভ’ ব্যবহার করা হয়৷ যত বেশি প্রিজারভেটিভ থাকে খাবারে বিষাক্ত সোডিয়াম নাইট্রেটের পরিমাণ তত বেড়ে যায়৷ ফলে ক্যানসারের ঝুঁ’কিও বৃদ্ধি পায়৷

নন-অরগ্যানিক ফল

সেসব ফলের বাগানে সার হিসেবে নাইট্রোজেন ব্যবহার হয় এবং গাছে পোকা মা’রার বিষ দেয়া হয়, সেই সব ফল খাওয়া খুবই বিপজ্জনক৷ অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যে মাত্রা নির্দিষ্ট করে দিয়েছে, তা না মেনে অ’তিরিক্ত পরিমাণে নাইট্রোজেন ব্যবহার করা হয়ে থাকে৷ তাই এ রকম ‘নন-অরগ্যানিক’ ফল বেশি খেলে দীর্ঘদিন পর এর ক্ষতিকর প্রভাব শরীরেও দেখা যায়৷

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*