টয়লেটেও ভাতিজির পিছু ছাড়লেন না চাচা, একা পেয়ে ছিঁড়লেন জামা

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে চাচার বিরুদ্ধে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর আলম পলাতক রয়েছেন।

এ ঘটনায় সোমবার দুপুরে উপজেলার পাগলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর বাবা। এর আগে, ১৭ নভেম্বর রাতে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর আলম পাগলা থানাধীন মশাখালী ইউনিয়নের কান্দি নামাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি কান্দিগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দফতরি ও ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবার চাচাতো ভাই।

ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী জানান, প্রায় প্রতিদিনই রাস্তা-ঘাট এমনকি বাড়ির আশপাশেও আপত্তিকর কথা বলে তাকে উত্ত্যক্ত করতেন জাহাঙ্গীর। ঘটনার দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বসতঘরের কাছেই টয়লেটে যান তিনি। টয়লেট থেকে বের হওয়া মাত্রই জাহাঙ্গীর তাকে পেছন থেকে মুখ চেপে ধরে মাটিতে ফেলে জামা ছিঁড়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। পরে তার চিৎকারে বাড়ির লোকজন এগিয়ে এলে জাহাঙ্গীর পালিয়ে যায়। ঘটনার পর থেকে মেয়েটি উপজেলার চরআলগী ইউনিয়নে নানার বাড়িতে থাকছেন।

মেয়েটির বাবা জানান, স্থানীয় ইউপি সদস্য ঘটনার পর থেকে বিচার করে দেবেন বলে আমাদের আটকে রেখেছেন। এখন বলছেন জাহাঙ্গীরকে ধমক দিয়ে দেবেন। তাই বাধ্য হয়ে থানায় অভিযোগ করতে হয়েছে।

ইউপি সদস্য এমদাদুল বলেন, মেয়েটিকে বিয়ে দিতে হবে, তাই দুই পক্ষকে মিলিয়ে দিয়েছি।

কান্দিগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) আরিফুন নাহার বলেন, আমাকে ঘটনাটি শিক্ষা অফিস থেকে জানানো হয়েছে। অভিযুক্ত দফতরিকে শিক্ষা অফিসে পাঠানোর জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

পাগলা থানার ওসি শাহীনুজ্জামান খান বলেন, এ ঘটনায় অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা। তদন্ত করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*